সবার জন্য
কোনো মাসিক ফি নেই
একটি কমিটির যা লাগে, সবই এখানে, প্রথম দিন থেকে।
- আয়, ব্যয়, অনুমোদন, সংশোধন ও রিপোর্ট
- দাতা, অঙ্গীকার ও এসএমএস নিশ্চিতকরণ
- নিজের পাবলিক পাতা
- যত খুশি সদস্য
- এসএমএস প্রতি ইউনিট ০.৭০ টাকা, শুধু যা পাঠান
মসজিদ · মাদ্রাসা · কবরস্থান · ঈদগাহ
খাত ধরে আয়-ব্যয় লিখুন, ফোন থেকেই। মাসের রিপোর্ট আর বছরের সারসংক্ষেপ নিজে থেকেই তৈরি। দাতারা দেখেন সারসংক্ষেপ, পুরো হিসাব থাকে কমিটির হাতে।
অ্যাপ ফ্রি। শুধু এসএমএসের খরচ দিয়ে শুরু করুন।
আরও: এতিমখানা, ওয়াকফ এস্টেট, আর টাকার হিসাব রাখে এমন যেকোনো কমিটি।
১০ ঘণ্টা → ১ ঘণ্টা
মাসে হিসাবের পেছনে।
আমাদের অনুমান: মাসে ষাটটি এন্ট্রি, প্রতিটিতে ৩০ সেকেন্ড, মোট ত্রিশ মিনিট; বাকি সময় অনুমোদন ও দেখাশোনায়। রিপোর্ট, সারসংক্ষেপ আর হস্তান্তর: শূন্য। মাসে একটা সন্ধ্যা যদি খাতা মেলাতে যায়, সেই সন্ধ্যাটাই ফেরত পাবেন।
জুমার দান? ৩০ সেকেন্ড: খাত, অঙ্ক, নাম। অনুমোদন হলেই আজকের, এ মাসের আর বছরের মোট তৈরি।
কাল মিটিং? রিপোর্ট আগেই আছে। দাতা কিছু জানতে চান? তাঁর সব দান তাঁর পাতায়। নতুন কমিটি? এক চাপে হস্তান্তর।
দাতারা দেখেন সারসংক্ষেপ। পুরো হিসাব থাকে কমিটির হাতে, ছাপার মতো রিপোর্টে। কারও ওপর নজরদারি নয়; আস্থা ধরে রাখা সহজ করার জন্য।
দাতার নামে কোনো এন্ট্রি অনুমোদন হলেই কিছুক্ষণের মধ্যে তাঁর ফোনে নিশ্চিতকরণ পৌঁছে যায়। কমিটিকে ফোন করে জানাতে হয় না, দাতাকেও জিজ্ঞেস করতে হয় না।
বার্তার ভাষা আপনার — সেটআপ থেকে নিজের ভাষায় টেমপ্লেটটি লিখে নিতে পারেন।
বায়তুল মামুর জামে মসজিদ: Tk 5,000 received on 2 Sep 2026. Receipt INC-2026-0042. Thank you.
আপনার মসজিদ, মাদ্রাসা বা কবরস্থান কমিটির হিসাব এখনও খাতায়? একবার আমানতের কথা বলুন। সন্দেহ নয়, কমিটির কাজটা সহজ করতে।
কমিটি আসলে যা করে, তা থেকেই বানানো। লগইনওয়ালা স্প্রেডশিট নয়।
খাত বাছলেই তহবিল আর হিসাব নিজে থেকে বসে যায়; চাইলে বদলান।
চাল, একটা ফ্যান, কোরবানির পশু — দামসহ জিনিস হিসেবে লেখা, তারপর বিক্রি বা ব্যবহার — দুভাবেই খাতায়।
দ্বিতীয় একজন সদস্য অনুমোদনে চাপ দেন। এন্ট্রি রসিদ নম্বর পায়, মোট হিসাব বদলে যায়।
পৃষ্ঠপোষক, আজীবন সদস্য, নিয়মিত, মাঝেমধ্যে। প্রতিটি দাতার নিজের পাতা, যেখানে তাঁর সব দান।
কথাটা একবার লিখুন। প্রতিটি দান নিজে থেকে তার ঘরে জমা হয়, কত বাকি এক নজরে।
এন্ট্রি অনুমোদন হলেই ধন্যবাদ চলে যায়। এক দাতাকে একটাই রিমাইন্ডার, সব বকেয়া একসঙ্গে।
খাত, তহবিল ও হিসাব অনুযায়ী, মিটিংয়ের জন্য ছাপার মতো। একটা হিসাবকাল বন্ধ করলে বন্ধই থাকে।
ব্যালেন্স, কী অপেক্ষায়, কী বকেয়া — এক পাতার ছাপা কাগজ, নতুন কমিটি সই করে বুঝে নেয়।
বছরের সারসংক্ষেপ, কমিটি, বিকাশ বা নগদের কিউআর, আর ছবির গ্যালারি — আপনার নিজের ঠিকানায়।
নগদ থেকে ব্যাংকে, ব্যাংক থেকে বিকাশে — একটা এন্ট্রি, দুই দিকই।
কে কী করতে পারবেন, আপনি ঠিক করুন। প্রতিটি পরিবর্তন এমন রেকর্ডে, যা কেউ মুছতে পারে না।
লেবেল, রসিদ, রিপোর্ট আর পাবলিক পাতা আপনার কমিটির ভাষায়, আপনার অঙ্কে।
কমিটি পুরোপুরি চালাতে সাবস্ক্রিপশন লাগে না। সাবস্ক্রিপশন মানে আমানত টিমের পাশে থাকা।
কোনো মাসিক ফি নেই
একটি কমিটির যা লাগে, সবই এখানে, প্রথম দিন থেকে।
বছরে ১,০০০৳
আমানত টিমের পাশে থাকুন
আপনার হিসাব, অনুমোদন আর রিপোর্ট কখনও কোনো পেমেন্টের পেছনে আটকে থাকে না। কখনোই না।
১ এসএমএস ইউনিটে ইংরেজিতে একটি বার্তা যায়; বাংলায় একটি বার্তায় সাধারণত ২ ইউনিট লাগে। অন্তর্ভুক্ত ইউনিট প্ল্যানের মেয়াদ পর্যন্ত থাকে। রিচার্জ করা ইউনিটের মেয়াদ কখনও ফুরায় না।
আমাদের গ্রামের মসজিদের ক্যাশিয়ার আমার চাচা। একদিন তিনি বললেন, হিসাব রাখা আর মেলানো সহজ করে দেয়, এমন একটা সফটওয়্যার দরকার। আমি বানাতে বসলাম, কিন্তু শুধু আমাদের মসজিদের জন্য নয়। মসজিদ, কবরস্থান, ঈদগাহ আর মাদ্রাসা: সব কমিটির একই সমস্যা।
লিখে রাখুন, আমানত মনে রাখবে।
— মোঃ নাজমুল হক, প্রতিষ্ঠাতা
নিবন্ধনের আগে প্রশ্ন? সেটআপে সাহায্য চাই? কিছু ঠিক লাগছে না? হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা দিন বা ফোন করুন। বাংলা বা ইংরেজি, যেটায় আপনি স্বচ্ছন্দ।
অ্যাপ ফ্রি। শুধু এসএমএসের খরচ দিয়ে শুরু করুন। আজই আপনার প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন করুন, কমিটির দু-তিনজনকে যোগ করুন, আর পরের দানটা খাতার বদলে এখানে লিখুন। আপনার জন্য না হলে? কিছুই হারায়নি, কিছুই দেননি।
আপনার কমিটি নিবন্ধন করুন