আমানতে আপনার কমিটি চালু করবেন যেভাবে
নিবন্ধন থেকে প্রথম দান লেখা পর্যন্ত — একটি কমিটি প্রথম দিন কী কী করবে, ধাপে ধাপে। আধা ঘণ্টার বেশি লাগার কথা না।
কমিটির হিসাব পরিষ্কার রাখা নিয়ে ছোট ছোট লেখা — আমানত বানাতে গিয়ে আমরা যা শিখেছি, আর কমিটিগুলো আমাদের যা শিখিয়েছে।
নিবন্ধন থেকে প্রথম দান লেখা পর্যন্ত — একটি কমিটি প্রথম দিন কী কী করবে, ধাপে ধাপে। আধা ঘণ্টার বেশি লাগার কথা না।
কোষাধ্যক্ষ কী লেখেন, সাধারণ সম্পাদক কী অনুমোদন দেন, আর মিটিংয়ের আগে সভাপতি কোথায় তাকান — একটি কমিটির সাধারণ সপ্তাহ।
চারটে জিনিস লেখা যায়, আর প্রতিটির জন্য একটাই নিয়ম: খাত ঠিকমতো বাছুন, বাকিটা সিস্টেম করে। কোনটা কখন, আর ভুল হলে কী।
মাসের রিপোর্ট, বছরের সারসংক্ষেপ, ছাপানো বিবরণী, মাস বন্ধ করা আর হস্তান্তর বিবরণী — কোনটা কোথায়, আর কেন এগুলো আগে থেকেই তৈরি থাকে।
পৃষ্ঠপোষক, আজীবন সদস্য, নিয়মিত, মাঝেমধ্যে — আর মাসিক, ত্রৈমাসিক, বার্ষিক অঙ্গীকার। একবার লিখলে তাগাদার হিসাব আর আপনাকে রাখতে হয় না।
কোন এসএমএস কখন যায়, লেখাটা কীভাবে নিজের মতো করবেন, বাংলায় কেন দুই ইউনিট লাগে, আর কত ইউনিট আছে তা কোথায় দেখবেন।
আপনার প্রতিষ্ঠানের নিজের একটা ওয়েব ঠিকানা, যেখানে দাতারা দিতে পারেন, দেখতে পারেন, আর কমিটিকে চিনতে পারেন। কী দেখাবেন তা আপনার হাতে।
অ্যাপ ফ্রি। শুধু এসএমএসের খরচ দিয়ে শুরু করুন। আজই আপনার প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন করুন, কমিটির দু-তিনজনকে যোগ করুন, আর পরের দানটা খাতার বদলে এখানে লিখুন। আপনার জন্য না হলে? কিছুই হারায়নি, কিছুই দেননি।
আপনার কমিটি নিবন্ধন করুন