প্রতিটি স্ক্রিন আছে কারও হাত থেকে একটা কাজ নামিয়ে নিতে: যোগ করা, তাগাদা দেওয়া, ছাপানো, বুঝিয়ে বলা। অ্যাপ থেকে তোলা ছবিসহ, একটা একটা করে।
ফোন থেকে বিশ সেকেন্ড: খাত, অঙ্ক, নাম। খাত বাছলেই তহবিল আর হিসাব নিজে থেকে বসে যায়। এক বস্তা চাল, কোরবানির ছাগল বা এক বান্ডিল জায়নামাজ দামসহ জিনিস হিসেবে ওঠে, পরে বিক্রি বা ব্যবহার হিসেবে — দানের জিনিসের জন্য আলাদা খাতা লাগে না।

দ্বিতীয় একজন সদস্যের এক চাপ — আর এন্ট্রি রসিদ নম্বর পায়, মোট হিসাব বদলে যায়, ধন্যবাদের এসএমএস চলে যায়। এই একটা চাপের জন্যই কাউকে কখনও হিসাব মেলাতে বসতে হয় না। নোটসহ ফেরত এল? যিনি লিখেছেন তিনি ঠিক করে আবার পাঠান।

"উনি এ বছর কত দিলেন?" — আর জিজ্ঞেস করতে হয় না, তাঁর পাতায় প্রতিটি রসিদসহ আছে। অঙ্গীকার একবার লিখলে প্রতিটি দান নিজে থেকে তার ঘরে জমা হয়; কত বাকি তা যোগ নয়, এক নজর। রিমাইন্ডার আর ধন্যবাদ — যে এসএমএস আপনাকে কখনও টাইপ করতে হয় না।

মিটিংয়ের রিপোর্ট আগে থেকেই তৈরি — খাত, তহবিল ও হিসাব অনুযায়ী, যেকোনো মাস বা বছরের। ছাপুন। মাস বন্ধ করুন, বন্ধই থাকবে। কমিটি বদলালে হস্তান্তর বিবরণী এক চাপ আর একটা সই।

দাতারা আর জিজ্ঞেস করেন না, কারণ নিজেরাই দেখতে পান: বছরের সারসংক্ষেপ, কমিটি, দান করার বিকাশ বা নগদ কিউআর, আর গ্যালারি — আপনার নিজের ওয়েব ঠিকানায়। কী দেখাবেন, আপনি ঠিক করেন।

প্রত্যেক সদস্যকে ঠিক তাঁর কাজটাই দিন — লেখা, অনুমোদন, দেখা — আর যখন খুশি বদলান। কমিটি বদলালে নতুন মেয়াদ লিখুন, কে থাকছেন মিলিয়ে নিন, আর মিটিংয়ের জন্য সবাইকে এসএমএসে জানিয়ে দিন।

অ্যাপ ফ্রি। শুধু এসএমএসের খরচ দিয়ে শুরু করুন। আজই আপনার প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন করুন, কমিটির দু-তিনজনকে যোগ করুন, আর পরের দানটা খাতার বদলে এখানে লিখুন। আপনার জন্য না হলে? কিছুই হারায়নি, কিছুই দেননি।
আপনার কমিটি নিবন্ধন করুন