নিবন্ধন অনুমোদন হলেই আপনার প্রতিষ্ঠান একটা ঠিকানা পায়: amanot-এর নিচে আপনার নাম। ঠিকানাটা পোস্টারে, নোটিশ বোর্ডে, এসএমএসে দিয়ে দিন। সেখানে যিনি আসবেন তিনি সাইন ইন ছাড়াই দেখবেন — কিন্তু শুধু তা-ই, যা আপনি দেখাতে চেয়েছেন।
কী কী দেখানো যায়
- বছরের হিসাবের সারসংক্ষেপ — মোট আয়, মোট ব্যয়, বছরের ব্যালেন্স, আর খাত অনুযায়ী আয়। অনুমোদিত এন্ট্রি থেকেই, তাই ভেতরের রিপোর্টের সঙ্গে হুবহু মেলে। কোনো দাতার নাম, কোনো একক লেনদেন — কিছুই না।
- দানের কিউআর — আপনার বিকাশ, নগদ বা ব্যাংকের কিউআর ছবি। দাতা স্ক্যান করে সরাসরি পাঠান; টাকাটা আপনার অ্যাকাউন্টে যায়, আমাদের মধ্য দিয়ে নয়।
- কমিটি — যে সদস্যরা নিজেরা তালিকায় থাকতে রাজি হয়েছেন, নাম ও পদসহ। যিনি রাজি নন, তিনি থাকেন না।
- গ্যালারি — মসজিদের ছবি, মাহফিলের ছবি, নির্মাণের অগ্রগতি (সহযোগী প্ল্যান)।
- ঠিকানা ও ফোন, আর কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান — যাতে খুঁজে পাওয়া যায়।
কীভাবে চালু করবেন
সেটআপ → পাবলিক পাতা। প্রতিটি অংশের একটা সুইচ: হিসাবের সারসংক্ষেপ দেখাবেন কি না, কিউআর তুলবেন কি না, গ্যালারিতে কী থাকবে। কমিটির সদস্যরা নিজের প্রোফাইল থেকে নিজেরা ঠিক করেন তালিকায় থাকবেন কি না। কিছুই আপনি না বললে দেখায় না।
দাতাদের জন্য কী বদলায়
তিনটে জিনিস। দেওয়া সহজ হয় — ঠিকানা খুলে স্ক্যান, কাউকে খুঁজতে হয় না। দেখা সহজ হয় — বছরে কত এল, কোথায় গেল, প্রশ্ন না করেই। আর কমিটিকে চেনা যায় — কারা দায়িত্বে, তাঁরা নিজেরা নাম দিয়েছেন। কমিটির জন্য এটা কাচের মতো স্বচ্ছ হওয়ার সবচেয়ে সস্তা উপায়: একবার সুইচ চালু করা।
যা এখানে কখনও থাকে না
দাতাদের তালিকা, কারও ফোন নম্বর, একক লেনদেন, অঙ্গীকার — এসব ভেতরের জিনিস, ভেতরেই থাকে। পাবলিক পাতা শুধু মোট অঙ্ক দেখায়, আর সেটাই যথেষ্ট।