মিটিংয়ের আগে দুই মিনিটে রিপোর্ট

মাসের রিপোর্ট, বছরের সারসংক্ষেপ, ছাপানো বিবরণী, মাস বন্ধ করা আর হস্তান্তর বিবরণী — কোনটা কোথায়, আর কেন এগুলো আগে থেকেই তৈরি থাকে।

পুরোনো অভ্যাসে মিটিংয়ের আগের রাতটা যায় খাতা যোগ করতে। আমানতে সেই রাতটা লাগে না, কারণ প্রতিটি এন্ট্রি অনুমোদনের মুহূর্তেই সব যোগফলে ঢুকে যায়। রিপোর্ট মানে তাই “তৈরি করা” নয়, “খোলা”।

মাসের ও বছরের রিপোর্ট

নিচের রিপোর্ট ট্যাবে যান। মাস বা বছর বেছে নিন। তিনভাবে ভাঙা মোট পাবেন: খাত অনুযায়ী (কোন খাতে কত এল, কত গেল), তহবিল অনুযায়ী (যাকাতে কত আছে, সাধারণে কত), আর হিসাব অনুযায়ী (নগদে কত, ব্যাংকে কত)। অঙ্কগুলো ড্যাশবোর্ডেরই — একই হিসাব, একই সূত্র, তাই দুই জায়গায় দুই সংখ্যা হওয়ার উপায় নেই।

ছাপানো

রিপোর্টের ওপরে ছাপার বোতাম। যে পাতা বের হয় সেটা মিটিংয়ে হাতে হাতে দেওয়ার মতো — অ্যাপের কোনো মেনু বা বোতাম ছাড়া, শুধু অঙ্ক। ফোন থেকে পিডিএফ হিসেবেও রাখা যায়, হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো যায়।

মাস বন্ধ করা

মিটিংয়ে মাসের হিসাব পাশ হয়ে গেলে সেটআপ → হিসাবকাল থেকে মাসটা বন্ধ করে দিন। বন্ধ মাসে নতুন এন্ট্রি ঢুকবে না, পুরোনো তারিখ দিয়েও না। এতে যা পাশ হয়েছে তা পাশই থাকে, আর “ওই মাসে পরে একটা এন্ট্রি ঢুকেছিল” ধরনের বিভ্রান্তি হয় না।

হস্তান্তর বিবরণী

কমিটি বদলানোর দিনের কাগজ। এক চাপে: প্রতিটি হিসাবের ব্যালেন্স, কোন এন্ট্রি অনুমোদনের অপেক্ষায়, কোন অঙ্গীকার বকেয়া, কী জিনিস হাতে আছে। পুরোনো কমিটি সই করে দেয়, নতুন কমিটি সই করে নেয়। যে তর্কটা প্রতি হস্তান্তরে হয় — “আমরা কত পেয়েছিলাম” — সেটা এই এক পাতায় শেষ।

দাতাকে দেখানো

কোনো দাতা জানতে চাইলে তাঁর নিজের পাতায় তাঁর সব দান রসিদ নম্বরসহ আছে। আর পাবলিক পাতা চালু থাকলে বছরের সারসংক্ষেপ তিনি নিজেই দেখে নিতে পারেন, আপনাকে না জিজ্ঞেস করেই।

সব মিলিয়ে: রিপোর্ট খুলতে দুই মিনিট, তার বেশি নয়। বাকি সময়টা মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য — যোগ করার জন্য নয়।

সব লেখা