এসএমএস: রসিদ, রিমাইন্ডার, কমিটিকে বার্তা — আর ইউনিটের হিসাব

কোন এসএমএস কখন যায়, লেখাটা কীভাবে নিজের মতো করবেন, বাংলায় কেন দুই ইউনিট লাগে, আর কত ইউনিট আছে তা কোথায় দেখবেন।

দাতা টাকা দিলেন, আর কয়েক মিনিটের মধ্যে তাঁর ফোনে এল: “আপনার ২,০০০ টাকার দান পেয়েছি, রসিদ INC-2026-0042। জাযাকাল্লাহ।” এই একটা বার্তাই বেশিরভাগ দাতার কাছে কমিটির হিসাব “পরিষ্কার” হওয়ার প্রমাণ। আমানতে এটা আপনাকে পাঠাতে হয় না; হয়ে যায়।

কোন এসএমএস কখন

  • রসিদ — দান অনুমোদন হওয়ামাত্র দাতার নম্বরে, অঙ্ক ও রসিদ নম্বরসহ। খরচের ক্ষেত্রে প্রাপককে, চাইলে।
  • রিমাইন্ডার — আপনি যখন পাঠাবেন, অঙ্গীকার পাতা থেকে বেছে। এক দাতাকে একটাই।
  • ফেরত পাঠানোর খবর — কোনো এন্ট্রি অনুমোদন না হয়ে ফেরত এলে, যিনি লিখেছেন তাঁকে।
  • কমিটিকে বার্তা — মিটিং বা উপলক্ষে পুরো কমিটিকে এক চাপে, তারিখ-সময়সহ আগে থেকে লেখা খসড়া (সহযোগী প্ল্যান)।

লেখাটা আপনার

সেটআপ → নোটিফিকেশন এসএমএস-এ প্রতিটি বার্তার নমুনা আছে, বাংলা বা ইংরেজিতে। বদলে নিন — মসজিদের নাম, দোয়ার বাক্য, যা খুশি। দাতার নাম, অঙ্ক, রসিদ নম্বরের মতো জায়গাগুলো নিজে থেকে বসে। নমুনার নিচেই দেখবেন বার্তাটায় কত ইউনিট লাগছে।

ইউনিট কী, আর বাংলায় কেন দুই

ফোন কোম্পানি এসএমএস গোনে ইউনিটে। ইংরেজি অক্ষরে এক ইউনিটে ১৬০ অক্ষর ধরে; বাংলা অক্ষর থাকলে ফোন অন্যভাবে সাজায়, তখন এক ইউনিটে ৭০ অক্ষর। তাই একই রসিদ ইংরেজিতে এক ইউনিট, বাংলায় সাধারণত দুই। কোনটা পাঠাবেন, আপনার সিদ্ধান্ত — অনেক কমিটি রসিদ ইংরেজিতে রাখে আর কমিটির বার্তা বাংলায়।

একটা ছোট কথা: টাকার চিহ্ন (৳) একটা বাংলা অক্ষর। ইংরেজি বার্তায় ওটা থাকলেই পুরো বার্তা দুই ইউনিট হয়ে যায়। সেজন্য আমানতের নমুনায় লেখা থাকে “Tk 2,000”।

কত ইউনিট আছে

সেটআপ → প্ল্যান ও এসএমএস-এ ব্যালেন্স, আর তার নিচে আনুমানিক কতগুলো বার্তা যাবে (ইংরেজিতে ও বাংলায়)। কম হয়ে এলে অ্যাপের ওপরে একটা হলুদ নোটিশ আসে; শূন্য হলে বার্তা যায় না, কিন্তু হারায়ও না — ইউনিট এলেই অপেক্ষায় থাকা বার্তাগুলো চলে যায়।

রিচার্জ যেকোনো অঙ্কে, যেকোনো সময়; সহযোগী প্ল্যানে বছরে ইউনিট অন্তর্ভুক্ত আর রিচার্জের দাম কম। বিস্তারিত মূল্যের পাতায়।

সব লেখা